নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
৪৮ক। জাতীয় পরিষদ
(১) রাষ্ট্রপতি অধীনে
বাংলাদেশে একটি জাতীয় পরিষদ থাকিবে এবং মুখ্য ও গৌণ সদস্য লইয়া জাতীয় পরিষদ গঠিত
হইবে।
(২) জাতীয় ঐক্য সুসংগঠিত রাখা, ‘বাংলাদেশের
সংবিধান, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থাসমূহের প্রতি
নাগরিকের আস্থা অক্ষুন্ন রাখা’, এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সকলের সুযোগ-সুবিধা, অধিকার
ও স্বার্থ সমুন্নত রাখা জাতীয় পরিষদের মূল
উদ্দেশ্য হবে।
(৩) বঙ্গভবনে জাতীয় পরিষদের সচিবালয় বা কার্যালয় ও সভা কক্ষ থাকিবে; এবং নাগরিকতন্ত্রের
আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ জাতীয় পরিষদকে সহযোগীতা করিবেন।
(ক)
সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা জাতীয় পরিষদে গৃহীত হলে রাষ্ট্রপতির
নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে,
(খ)
জাতীয় পরিষদের পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য
বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
(গ)
রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা
প্রমাণীকৃত হইবে,
জাতীয় পরিষদের পরামর্শে রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা
নির্ধারণ করিবেন।
(৪) সংসদে গৃহীত বিল বা সিদ্ধান্ত জাতীয় পরিষদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার এবং মন্ত্রী পরিষদের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী বা উপ-প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিষদের উত্থাপন করিবেন।
(৫)
জাতীয় পরিষদের কোনো প্রস্তাব সংসদে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার উত্থাপন করবেন এবং
প্রধানমন্ত্রী বা উপ-প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী পরিষদে উত্থাপন করিবেন।
(৬)
জাতীয় পরিষদের কোরম পূরণে সাত-অষ্টমাংশ মুখ্য সদস্য বা ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি
সরাসরি বা বিশেষ ক্ষেত্রে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকিতে
হইবে।
(৭) জাতীয় পরিষদের সদস্য নিয়োগ, শপথ, কার্যবলি, দায়িত্ব
ও কর্তব্য, মেয়াদ, পদত্যাগ ও অপসারণ,
পদমর্যাদা এবং
অধিকার এই সংবিধানের তফসিল অনুযায়ী
হইবে।
“০০। ককককক= নতুন উপধারা বা ধারা, ককককক= সংযুক্ত, [কককক]০০=সংশোধিত বা পরিবর্তিত, ককককক= বিলুপ্ত, ককককক= অপরিবর্তিত"